|
এবার এসএসসি দেওয়ার কথা ছিল, পালিয়ে বিয়ের এক বছরের মাথায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() এবার এসএসসি দেওয়ার কথা ছিল, পালিয়ে বিয়ের এক বছরের মাথায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কিন্তু বিয়ের এক বছর না পেরোতেই স্বামীর সঙ্গে অভিমানের পর শোবার ঘরে মিলল সেই কিশোরী গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ। শুক্রবার (২৫সেপ্টেম্বর) ভোরে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌতাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মুসরিকা মামুদপুর গ্রামের সাঞ্জাপাড়া এলাকার মাসুদ রানার মেয়ে। তার স্বামী সোয়ায়েব ইসলাম শুভও একই গ্রামের বাসিন্দা। তবে তাদের বাড়ি একই গ্রামে হলেও পাড়া ভিন্ন। মুসরিকা মামুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র সোয়ায়েবের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত তিনটার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে সেচ দেওয়ার কাজ দেখতে যায় সোয়ায়েব ও মুসরিকা। সেখানে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। তবে কী নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল, তা পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি। পরে মুসরিকা একা বাড়িতে ফিরে শোবার ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। ওই ঘরে তার ছোট বোনও ছিল। কিছুক্ষণ পর মুসরিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ছোট বোন চিৎকার শুরু করে। পরিবারের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শুক্রবার (২৫সেপ্টেম্বর) সকাল আটটার দিকে ক্ষেতলাল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল করিম ঘটনাস্থলে যান। তিনি মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মুসরিকার শ্বশুর শাহিনুর ইসলাম বলেন, রাত তিনটার দিকে শুভ ও মিতু (মুসরিকা) পুকুরে গিয়েছিল। সেখানে কী নিয়ে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়েছিল, তা আমি জানি না। পরে মিতু একা বাড়িতে ফিরে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। কিছুক্ষণ পর তার ছোট বোন চিৎকার করলে আমরা গিয়ে মিতুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল করিম বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
|
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
