|
মেক্সিকোতে সেটিস ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্যানেলে ড. সবুর খানের অংশগ্রহণ
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() মেক্সিকোতে সেটিস ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্যানেলে ড. সবুর খানের অংশগ্রহণ শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর, সেটিস ইউনিভার্সিটির মেক্সিকালি ক্যাম্পাসের 'অডিটোরিও পাকার'-এ এই উচ্চ-পর্যায়ের প্যানেল আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয় নেতারা প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব, শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানদের পরিবর্তিত দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের সুযোগ পান। এই প্যানেলে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান একদল নেতা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (IAUP)-এর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, স্যান বার্নার্ডিনো-এর প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস টমাস ডি. মোরালেস; জর্জিয়ার ককেশাস ইউনিভার্সিটির রেক্টর কাকা শেনজেলিয়া এবং পেরুর ইউনিভার্সিদাদ সেনিয়ার দে সিপান-এর রেক্টর আলেহান্দ্রো ক্রুজাতা। সেশনটি সঞ্চালনা করেন ইউনিভার্সিটি অফ লা ভার্ন এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (IAUP)-এর প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস ডেবোরা লিবারম্যান। ড. সবুর খানের এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার নেতৃত্বের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের সাফল্য, উদ্যোক্তা মনোভাব, উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার ক্ষেত্রে ডিআইইউ-এর দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে। আলোচনাকালে ড. খান গুরুত্বারোপ করেন যে, শিক্ষার্থীদের সাফল্য কেবল একটি একাডেমিক ডিগ্রি অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, উদ্যোক্তা-সুলভ মানসিকতা এবং নিজেদের ও অন্যদের জন্য সুযোগ সৃষ্টির সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। এছাড়া তিনি এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত একাডেমিক জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে অর্থবহ ও কার্যকর প্রভাব বিস্তারের কাজে লাগাতে পারে। তাঁর বক্তব্যের একটি মূল বার্তা ছিল যে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অবশ্যই 'ডিগ্রি অর্জনের গন্ডি পেরিয়ে' (Beyond Degrees) চিন্তা করতে হবে এবং গ্র্যাজুয়েটদের কেবল কর্মসংস্থানের জন্যই নয়, বরং নেতৃত্ব, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা হওয়া এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টির জন্যও প্রস্তুত করে তুলতে হবে। পাশাপাশি, ড. খান শিক্ষার্থীদের সাফল্যের বিষয়টিকে উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণের বৃহত্তর লক্ষ্যের সাথেও সংযুক্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আন্তর্জাতিকীকরণের বিষয়টি কেবল আনুষ্ঠানিক চুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; বরং এর মাধ্যমে যৌথ প্রকল্প, উদ্যোক্তা-উদ্যোগ, জ্ঞান আদান-প্রদান, শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য ফলাফল অর্জিত হওয়া উচিত। এছাড়া, বৈশ্বিক একাডেমিক সংযোগগুলোকে শিক্ষার্থী ও সমাজের জন্য অর্থবহ সুযোগে রূপান্তরের গুরুত্বের ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। সেটিস (CETYS) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে তাঁর অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষা, উদ্যোক্তা-উদ্যোগ, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ডিআইইউ (DIU)-এর অব্যাহত অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে।
|
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
