|
খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ বুধবার (৭ অক্টোবর ২৬) এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসির নির্দেশনায় বেতছড়ি আর্মি ক্যাম্প থেকে একটি টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে টহল দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পর ঘটনাস্থলে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কিয়াংঘর নির্মাণসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উভয় পক্ষকে আগামী মঙ্গলবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জমির মালিকানাসংক্রান্ত নথি নিয়ে দীঘিনালা জোন সদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রসিকনগর-গোলছড়ি এলাকায় কিয়াংঘর নির্মাণের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এর আগেও কয়েক দফা আলোচনা ও উদ্যোগের কথা স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে। নতুন করে একই ধরনের উদ্যোগের অভিযোগ ওঠায় ভূমির মালিকানা ও জমির অধিকার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ![]() খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ সংগঠনটির দাবি, প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারও বৈধ মালিকানাধীন জমিতে অনুমতি ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা হয়ে থাকলে তা বন্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে। তবে স্থানীয় বিরোধের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা ও জমির মালিকানা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষের অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জোন সদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির আইনসম্মত সমাধানের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
