ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ● ৮ অক্টোবর ২০২৬ ● ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Thursday, 8 October, 2026, 10:56 AM

খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের রসিকনগর-গোলছড়ি এলাকায় কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিয়াংঘর নির্মাণের উদ্যোগের আড়ালে বাঙালিদের মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর ২৬) এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসির নির্দেশনায় বেতছড়ি আর্মি ক্যাম্প থেকে একটি টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে টহল দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পর ঘটনাস্থলে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কিয়াংঘর নির্মাণসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উভয় পক্ষকে আগামী মঙ্গলবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জমির মালিকানাসংক্রান্ত নথি নিয়ে দীঘিনালা জোন সদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রসিকনগর-গোলছড়ি এলাকায় কিয়াংঘর নির্মাণের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এর আগেও কয়েক দফা আলোচনা ও উদ্যোগের কথা স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে। নতুন করে একই ধরনের উদ্যোগের অভিযোগ ওঠায় ভূমির মালিকানা ও জমির অধিকার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

খাগড়াছড়িতে কিয়াংঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

এদিকে, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, দীঘিনালা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে অভিযোগটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারও বৈধ মালিকানাধীন জমিতে অনুমতি ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা হয়ে থাকলে তা বন্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।

তবে স্থানীয় বিরোধের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা ও জমির মালিকানা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষের অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জোন সদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির আইনসম্মত সমাধানের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status