|
আলফাডাঙ্গায় শাহানারা একাডেমিতে আবারও চুরি: ১০ দিনেও অধরা আসামি, ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী
আলমগীর কবির, আলফাডাঙ্গা
|
![]() আলফাডাঙ্গায় শাহানারা একাডেমিতে আবারও চুরি: ১০ দিনেও অধরা আসামি, ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তরা বেগম শাহানারা একাডেমির তিনটি কক্ষের তালা ও দরজার ছিটকিনি ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে একটি পানির মোটর ও একটি সোলার ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের এক অভিভাবক সদস্যের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১১ অক্টোবর আলফাডাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে মামলা দায়েরের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় অভিভাবক সদস্যরা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বেগম শাহানারা একাডেমি শিশুদের সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পাঠদান করিয়ে আসছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এর আগেও প্রতিষ্ঠানটি থেকে টিউবওয়েল, ফ্যান, মোটর ও সোলার ব্যাটারি চুরির মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবারই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি; বন্ধ হয়নি চুরির উপদ্রব। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কিছু কিশোরের সন্দেহজনক ঘোরাফেরা দেখা যায়। রাত ১০টা থেকে ১১টার পর তারা সেখানে ঢুকে মাদক সেবন করে বলেও স্থানীয়রা জানান। তাঁদের ধারণা, এসব বখাটে ও মাদকসেবী চক্রই ধারাবাহিকভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে চুরি চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার জানান, "মামলাটি নিয়ে পুলিশ গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্থানীয় ভাঙারির দোকানগুলোতে নজরদারি চালানো হচ্ছে। আশা করছি খুব দ্রুতই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।" মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রতন বাবু জানান, অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় কয়েকজন সন্দেহভাজন পুলিশের নজরদারিতে (টার্গেটে) রয়েছেন। বারবার এমন চুরির ঘটনায় শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা জানিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসী। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
