|
সীতাকুন্ডে শৈলীর ১৮ বৎসর পূর্তি উৎসব
মুহাম্মদ ইউসুফ খাঁন, সীতাকুন্ড
|
|
সীতাকুন্ডে শৈলীর ১৮ বৎসর পূর্তি উৎসব বুধবার ১ মে, বিকাল ৪টায় জেলা পরিষদ অডোটরিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে এই বৈচিত্রপুর্ণ অনুষ্টানটি শুরু হয়ে রাত ১০ঘটিকায় শেষ হয়। অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মুসলিম । ![]() সীতাকুন্ডে শৈলীর ১৮ বৎসর পূর্তি উৎসব অনুষ্ঠানের শুরুতে সদ্য প্রয়াত সীতাকুণ্ডের দুই গুণী শিল্পী ওস্তাদ মো. হাশেম ও বিজন নন্দীর স্মরণে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। নীরবতা পালন শেষে এক বিশাল কেক কেঁটে শৈলীর ১৯ তম জম্ম দিবস পালন করা হয়। এর পর প্রধান অতিথি ১৮ বৎসর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকা শৈলী‘র মোড়ক উম্মোচন করেন। মোড়ক উম্মোচনের পর শুরু হয় আলোচনা সভা। শৈলীর সভাপতি অধ্যাপক সুনীল বন্ধু নাথের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সদস্য শামীমা আক্তার লাভলীর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন অনিক। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন , সীতাকুণ্ড নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সদস্য সচিব গিয়াস উদ্দিন, সীতাকুণ্ড সমিতি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন মানিক, সীতাকুণ্ড সমিতি চট্টগ্রামের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. বেলাল হোসেন, মানবতাবাদি লেখক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ.ফ.ম মফিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক লাল বড়ুয়া, সংবর্ধিত অতিথি সিএমপি‘র পুলিশ পরিদর্শক শৈলী‘র প্রতিষ্টাতা সদস্য রাজেশ বড়ুয়া, ও ইপসার পরিচালক (অর্থ) পশাল চৌধুরী। আলোচনা সভা শেষে একে একে সীতাকুণ্ডের সাংস্কৃতিক সংগঠন খেলাঘর, বারামখানা, আলপনা, সীতাকুণ্ড সাংস্কৃতিক জোট ও বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর সংগঠন‘র পক্ষ হতে শৈলী‘র সভাপতি সুনিল বন্ধু নাথ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন অনিককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের যুব সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস হতে বিরত রাখা, ঘুষ দূর্নীতি প্রতিরোধে যুব সমাজকে সংগঠিত করতে প্রয়োজন সামাজিক সংগঠন। জনবিরোধী সকল কর্মকাণ্ড সমাজের অগ্রযাত্রা তথা দেশের উন্নয়নের পথে অন্তঃরায়। তাই দেশের চলমান উন্নয়ন যাত্রাকে সমুন্নত রাখতে যুব সংগঠনের ভূমিকা অপরিসীম। যুব সংগঠনের মাধ্যমে সমাজের তথা দেশের সকল প্রকার উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয় বলে সমাজে পাড়ায় পাড়ায় ইতিবাচক সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনায় আরো যুব সংগঠন হওয়া উচিত। আলোচনা সভা শেষে শৈলীর প্রতিষ্টাতা সদস্য পুলিশ পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া ও শৈলীর উপদেষ্টা ইপসার প্রধান নির্বাহী আরিফুর রহমানকে সম্মানতা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় (আরিফুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ইপসার পরিচালক (অর্থ) পলাশ চৌধুরী)। এছাড়াও শৈলীর অনুষ্টানে অংশগ্রহণকারী সাংস্কৃতিক সংগঠন খেলাঘর, বারামখানা, প্রতিভা, অপূর্ব নৃত্য নিকেতন ও আলপনা একাডেমীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এইসব সংগঠনের মনমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা তথা সংগীত, নৃত্য, নাট্য, মুকাভিনয়, ও ব্যান্ড সংগীত হল ভর্তি দর্শকদের আনন্দ দিতে সক্ষম হয়েছে। অনেক দিন পর সীতাকুণ্ডে র সাংস্কৃতিক প্রেমীরা শৈলীর ১৮ বৎসর পূর্তি অনুষ্টান উপভোগ করে পরিতৃপ্তি লাভ করেছেন বলে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করে জানা যায়।। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
