|
গোবর পরিষ্কার করা বালকের চাঁদ-মঙ্গল জয়ের গল্প
নতুন সময় ডেস্ক
|
|
গোবর পরিষ্কার করা বালকের চাঁদ-মঙ্গল জয়ের গল্প তার বাবা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক। আর সেলাইয়ের কাজ করে কিছুটা বাড়তি উপার্জন করতেন তিনি। এক সময় তিনি ভেবেছিলেন, আন্নাদুরাই হয়তো উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগই পাবে না।কিন্তু হঠাৎ করেই জীবন বদলে দেয়ার মতো সুযোগ পেয়ে যান কিশোর আন্নাদুরাই। ১২ বছর বয়সে রেডিওতে গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি এক বৃত্তির খবর শুনে আবেদন করেন। ওই বৃত্তি তার আর্থিক সংকট কাটিয়ে তাকে পাশের শহরের একটি ভালো স্কুলে ভর্তি হতে সহায়তা করে।তিনি বলেন, ‘সেসময় আমার বাবা প্রতিমাসে ১২০ রুপি আয় করতেন। আর বৃত্তির অর্থ ছিল বছরে এক হাজার রুপি।’জেলার সেরা আর রাজ্যে ৩৯তম মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে স্কুল শেষ করেন তিনি।যা পরবর্তীতে তাকে আরও শিক্ষার খরচ জোগাতে সহায়তা করে। আন্নাদুরাই এরপর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে পাশ করে ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা-আইএসআরও তে যোগ দেন। এরপর তার নেতৃত্বেই চাঁদে যায় ভারত। কয়েক বছর পর প্রথম দেশ হিসেবে মঙ্গলে প্রথম চেষ্টাতেই নমুনা পাঠান তারা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
