ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২ জুলাই ২০২৬ ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
প্রিয়শপের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 27 April, 2020, 6:51 PM

প্রিয়শপের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

প্রিয়শপের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে অনলাইন শপিং সাইট প্রিয়শপ.কম এর (priyoshop.com) বিরুদ্ধে। পণ্য অর্ডার করার পর পুরো টাকা কেটে নিয়েও পণ্য বুঝিয়ে দেয়নি এই অনলাইন শপিং সাইটটি। প্রিয়শপে ২২০০ টাকার পণ্য অর্ডার করেছিলেন ঢাকার এক বাসিন্দা। তবে নির্দিষ্ট সময়েও তিনি পণ্য পাননি। ৭-৮ দিন পর মাত্র ২০০ টাকার পণ্য দেয়া হয় তাকে। এখনো পর্যন্ত ওই ক্রেতা তার কেনা পণ্য বুঝে পাননি বা টাকাও ফেরত পাননি।

এমন প্রতারণার শিকার শাহ আলম অভিযোগ করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত ১৭ এপ্রিল "রমজান অফার" থেকে কাঁচাতরকারিসহ সয়াবিন ও সরিষার তেল, বেসন, চিনি, মুড়ি ইত্যাদি মিলে প্রায় ২২০০ টাকায় ১৭টি পণ্যের অর্ডার করেছি, যা তার ওয়ালেট থেকে নগদ কেটেও নেয়া হয়। যা নির্দিষ্ট সময়ে পৌছে দেয়ার কথা। কিন্তু ৭/৮ দিনেও পণ্য বুঝে না পেয়ে তাদের সাইটে দেয়া নাম্বারে বারবার ফোন দিলে ২৩ ও ২৪ এপ্রিল ১৭টি পণ্যের মধ্যে তিনদফায় ২ ব্যক্তির মাধ্যমে ৫টি পণ্য বাসায় দিয়ে যায়,যার আনুমানিক মূল্য ২০০ টাকা। যা এ পরিস্থিতিতে হয়রানিমূলক।

তিনি আরো বলেন, ‘তারা পাঁচটি পণ্য পৌঁছে দেয়ার পর তাদের কাস্টমার কেয়ারের 09636000 নাম্বারটি বন্ধই করে দেয়, পরে তা ওয়েবসাইট থেকেও তা ডিলিট করে দেয়া হয়। এমনকি পণ্যের অর্ডার-কনফার্মকারী 01552146189 নাম্বারটিও তারা বন্ধ রেখেছে, যা সম্পূর্ণ অসাধুতা ও অসদুদ্দেশ্যমূলক।এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকেও কোন যোগাযোগ করা হয়নি। দেশের এ পরিস্থিতিতে অর্থসঙ্কটের সময় এমন কিছু সত্যি দুঃখজনক ।

এ বিষয়ে প্রিয়শপ.কমের হেডঅফ ব্র্যান্ড আশরাফুল ইসলাম তুসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে লোকবল সংকটে এমন সমস্যা হচ্ছে। আমাদের এটা ই-কমার্স সাইট।  কাস্টমার অর্ডার করলে ভেন্ডর থেকে পণ্য সংগ্রহ করে পাঠানো হয়। কিন্তু কাস্টমার অর্ডার করার পর ভেন্ডরের সাথে যোগাযোগ করা হলে অনেক ভেন্ডরের কাছেই প্রোডাক্ট স্টক না থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কিন্তু আমরা এ ক্ষেত্রে কাস্টমারকে টাকা রিটার্ন করে দেই।

শাহ আলমের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, কাস্টমার অর্ডার করার পর পণ্য ডেলিভারির জন্য নির্দিষ্ট সময় দেয়া হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ভেন্ডরের কাছে প্রোডাক্ট না থাকায় আমরা অনেক পণ্য বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি। পণ্য না থাকলে যারা আগে অর্ডার করেছে তারা পণ্য কিভাবে পাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা যদি দিতে না পারি সেক্ষেত্রে টাকা ফেরত দেয়া হয় কাস্টমারকে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status