ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২ জুলাই ২০২৬ ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
দেশে ফেরা ৮৭ শতাংশ প্রবাসীর আয়ের কোনো উৎস নেই
করোনায় দেশে ফিরেছেন প্রবাসীযোদ্ধা কমেছে রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
প্রকাশ: Friday, 22 May, 2020, 7:18 PM
সর্বশেষ আপডেট: Friday, 22 May, 2020, 7:23 PM

করোনায় দেশে ফিরেছেন প্রবাসীযোদ্ধা কমেছে রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
মহামারি করোনায় দেশে ফেরত এসেছেন এমন ৫৫৮ জন প্রবাসী কর্মীর উপর জরিপ করা হয়।  এর মধ্যে ৮৬ শতাংশই ফিরেছেন মার্চে।  জরিপর অংশগ্রহণকারীদের ৪৫ শতাংশ ‍এসেছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন ওমান এবং কুয়েত থেকে।  বাকিরা মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইতালি, মালদ্বীপসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরেছেন।  জরিপে ৪০ শতাংশ বলেছেন, করোনার কারণে তারা দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন, ৩৫ শতাংশ ছুটিতে এসেছিলেন, ১৮ শতাংশ পারিবারিক কারণে চলে এসেছেন, ৭ শতাংশ বলেছেন, তাদের ফেরার সাথে করোনার কোন সম্পর্ক নেই।  ফেরত আসার ৭৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা এখন প্রচণ্ড দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও ভীতির মধ্যে রয়েছেন।  ২৯ শতাংশ অভিবাসী বলেছেন তাদের প্রতিবেশী এবং আত্মীয়-স্বজনেরা তাদের ফিরে আসাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়নি এবং তাদের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রদর্শন করেনি।  তবে ৯৭ শতাংশ বলেছেন, এক্ষেত্রে পরিবার সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

৩৪ শতাংশ জানান, তাদের নিজেদের সঞ্চয় বলতে এখন আর কিছু নেই।  ১৯ শতাংশ জানান, তাদের যে সঞ্চয় আছে তা দিয়ে আরও এক-দুই মাস চলতে পারবেন।  নিজেদের সঞ্চয় দিয়ে তিন মাস বা তার বেশি সময় চলতে পারবেন এমন সংখ্যা ৩৩ শতাংশ।  ১০ শতাংশ জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে তারা ঋণ গ্রহন করেছেন।  ১৪ শতাংশ প্রবাসী তাদের সঞ্চয়ের ব্যাপারে কোনো প্রকার তথ্য দিতে রাজি হননি।  ফেরত আসা অভিবাসীদের শতকরা ৮৪ ভাগ এখনো জীবিকা নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করতে পারেননি। ৬ শতাংশ জানিয়েছে, তারা পুনরায় বিদেশ যাওয়ার কথা ভাবছেন।  বাকীরা কৃষিভিত্তিক ছোটো ব্যবসা, মুদি দোকান বা অন্য কিছু করার পরিকল্পনা করছেন।

৯১ শতাংশ তারা এখনো সরকারি বা বেসরকারি কোন জায়গা থেকে কোন সাহায্য সহযোগিতা পাননি।  বাকি ৯ শতাংশ সরকারি বা বেসরকারি কোন না কোন জায়গা থেকে সামান্য হলেও সহযোগিতা পেয়েছেন।  বিদেশফেরত প্রবাসীদের ফেরত আসা ৮৭ শতাংশেরই এখন কোনো আয়ের উৎস নেই।  ৫২ শতাংশ তারা জরুরি ভিত্তিতে সহায়তা চান।

ঈদকে সামনে রেখে শুধু মে মাসের ১৯ দিনে ১০৯ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা।  আর জানুয়ারি থেকে ধরলে মোট তারা পাঠিয়েছেন ৫৫ হাজার কোটি টাকা।  কজেই এই সংকটময় সময়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। 
অনেকে ফেরত আসছে, সামনের আরো অনেক মানুষ চাকরি হারিয়ে ফিরে আসতে পারেন।  সরকার তাদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।  এই প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ানোর কাজটি শুধু সরকারের একার নয়।  সরকারি-বেসরকারি সংস্থা সবাই মিলে কাজটি করতে হবে।  কারণ এই প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতি সবসময় সচল রেখেছেন।  এমনকি করোনার সময়ও তারা বিদেশ থেকে টাকা পাঠাচ্ছেন’। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status