সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৮৬ লাখ সাত হাজার চারশ ২১ জন এবং মারা গেছে চার লাখ ৫৬ হাজার নয়শ ৪৩ জন।
তবে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার সঠিক কোনো ওষুধ কিংবা টিকা আবিষ্কার করতে পারেননি গবেষকরা। রোগীদের বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ দেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন, করোনা ঠেকাতে আস্থার জায়গা হতে পারে অ্যান্টিবডি। তারা উহানে ২৩ হাজার স্বাস্থ্যসেবাকর্মীর অ্যান্টিবডি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গবেষকরা পূর্বানুমান করেছিলেন, উহানের স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ২৫ শতাংশ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। তবে তাদের মধ্যে মাত্র চার শতাংশ আক্রান্ত হয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি মানুষের শরীরে তৈরির সম্ভাবনা খুবই কম।
গবেষকরা আরো বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর যারা গুরুতর অবস্থায় পড়েছেন কিংবা স্পষ্টভাবে উপসর্গ দেখা দিয়েছে, তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তবে যাদের শরীরে সেভাবে উপসর্গ দেখা দেয়নি, বা হালকা উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর তা সেরে গেছে, তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি নাও হতে পারে।