ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
ঢাবির গেস্টরুমে নির্যাতন, হল থেকে বহিষ্কার তিন শিক্ষার্থী
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 2 February, 2022, 8:23 PM

ঢাবির গেস্টরুমে নির্যাতন, হল থেকে বহিষ্কার তিন শিক্ষার্থী

ঢাবির গেস্টরুমে নির্যাতন, হল থেকে বহিষ্কার তিন শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের গেস্টরুমে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় একই হলের তিন শিক্ষার্থীকে হল থেকে বহিষ্কার করেছে হল কর্তৃপক্ষ। বহিষ্কৃত সবাই বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও দ্বিতীয় বর্ষের (২০১৯-২০ সেশন) ছাত্র।

বহিষ্কৃতরা হলেন- সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কামরুজ্জামান রাজু, ইতিহাস বিভাগের হৃদয় আহমেদ কাজল, সমাজকল্যাণ বিভাগের মো. ইয়ামিন ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ ছিলো তাদের বিরুদ্ধে।

বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহ মিরান ও হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল বাছির।

তিনি বলেন, বহিষ্কার হওয়া ওই শিক্ষার্থীরা আগামী ৬ মাস বিজয় একাত্তর হলে অবস্থান করতে পারবেন না।

গত ২৬ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে হলের গেস্টরুমে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল। নির্যাতনের কারণে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জ্ঞান হারালে পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়।

পরে ২৭ জানুয়ারি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে রসায়ন বিভাগের প্রফেসর মুহাম্মদ শাহ মিরানকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়। সে অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারি তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করেন তদন্ত কমিটি। পরে ঘটনায় জড়িত তিন ছাত্রের বিরুদ্ধে ৬ মাসের এ বহিষ্কারাদেশ দেন হল প্রশাসন।

বহিষ্কারাদেশ বিষয়ে বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল বাছির বলেন, সেদিনের ঘটনায় ভুক্তভোগী আকতারুল মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি এবং তাদের তদন্তে তিনজনের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। সে অনুযায়ী তাদের তিনজনকে ৬ মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার করেছি।

তদন্ত কমিটির প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহ মিরান বলেন, আমরা বাদী-বিবাদীর কথা শুনেছি, সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছি, সব তথ্য যাচাই-বাছাই করেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হল প্রভোস্টের নিকট তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছি। তিনজনের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছি এবং বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারা পরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারে যে তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ রয়েছে। তাদের জড়িত না থাকার বিষয়টি বাদীও নিশ্চিত করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status