সারা দেশের ন্যায়, প্রাকৃতিক নিয়মেই গরমের বিশেষ প্রভাব পড়েছে। এই তীব্র গরমের তাপদাহে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে উপজেলার প্রায় সব বাজারগুলোতে সুমিষ্ট রসালো ফল তরমুজ বিক্রির ধুম পড়েছে। তীব্র গরমে মানুষ নিজেকে সতেজ ও ঝরঝরে রাখতে ছুটে যাচ্ছেন তরমুজের দোকানে।
মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) উপজেলার কয়েকটি বাজারে সরেজমিনে, দেখা যায় প্রত্যেকটি বাজারে ভরপুর হয়ে উঠেছে সুমিষ্ট রসালো ফল তরমুজ। এরমধ্যে স্থায়ী দোকানদার ছাড়াও বেশীরভাগই রাস্তার ধারে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বসেছেন। এসব দোকানে ভীড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা তাদের নিজেদের পছন্দ মাফিক বিভিন্ন আকারের তরমুজ কিনছেন। তথ্য সূত্র মতে জানা যায়, তরমুজ গুলো ক্রয় করা হয় পিস হিসাবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছে কেজি দরে।
ক্রেতা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মোছা.তাসলিমা আক্তার মুন্নী বলেন, এবছর তরমুজের দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তারপরও মৌসুমি ফলের প্রতি আগ্রহ বেশি তাই ৪০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি একটি তরমুজ ২০০ টাকা দিয়ে কিনলাম। একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমে মানুষ অস্থির হয়ে পড়েছে। মানুষ নিজেকে সতেজ ও ঝরঝরে রাখতে ছুটে আসছেন তরমুজের দোকানে। প্রথম রোজার পর থেকে তরমুজ বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি তরমুজ আকার ভেদে ৩০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ৪০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি করছি। সদর বাজার মৌসুমি ব্যবসায়ী মো.শামিম মিয়া জানান, আমাদের বেশী দামে ক্রয় করা তরমুজ তাই গ্রাহকদের কাছে ৩০, ৩৫, ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি।
ডা. এমএ মান্নান বলেন, গ্রীষ্মকালের জনপ্রিয় সুস্বাদু ফল তরমুজ। এই ফলের ৯২ ভাগই পানি, ৬ ভাগ চিনি এবং অন্যান্য উপাদান ২ ভাগ রয়েছে। এটি ভিটামিন জাতীয় ফল। তরমুজ খেলে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলকে দূরে রাখা যায়, যা হার্ট সংক্রান্ত রোগগুলোকে প্রতিরোধ করতে পারে। তরমুজে রয়েছে ৯২ শতাংশ পানি যা শরীরকে বেশ আর্দ্র রাখে এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি সহ নানা রোগ প্রতিরোধে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।