পাথরঘাটায় বেরিবাধ টপকে লোকালয়ে পানি প্রবেশে আতঙ্কিত এলাকাবাসী
ইব্রাহীম খলীল,পাথরঘাটা
প্রকাশ: Sunday, 26 May, 2024, 9:39 PM
পাথরঘাটায় বেরিবাধ টপকে লোকালয়ে পানি প্রবেশে আতঙ্কিত এলাকাবাসী
বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রেমাল সকাল থেকেই উপকূলে তীব্র আঘাত হানতে শুরু করেছে। সর্বশেষ আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ পটুয়াখালীর ক্ষেপুপাড়া উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। তাই পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে রবিবার সকাল থেকেই ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিষখালী নদী, নদীতে জোয়ারের পানি বেরিবাধ টপকে প্রবেশ করেছে লোকালয় সহ উপজেলার কাকচিড়া বাজারে।
সকাল থেকে পানির চাপ বাড়তে থাকায় সকাল থেকেই মাঝারি ধরনের বৃষ্টিসহ ধমকা বাতাস চলতে থাকে। কাকচিড়া বাজার থেকে কালিবাড়ি হয়ে বাইনচটকী ফেরিঘাট পর্যন্ত সংরক্ষিত বেরিবাধ টপকে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে থাকে, এতে আতঙ্কিত হয়ে এলাকাবাসী নিজ বসত ছেড়ে কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে আবার কেউ দূর আত্মীয় স্বজনদের কাছে গিয়ে ঠাই খোঁজার চেষ্টা চালায়।
স্থানীয়রা জানান, যে বেরিবাধ রয়েছে তা মোটেই টেকসই না, তাই যে কোন সময় বেরিবাধ ছুটে এ অঞ্চল প্লাবিত হতে পারে, যদি বেরিবাধ ছুটে যায় তা হলে শুধু কাকচিড়া নয় পাশাপাশি রায়হানপুর ইউনিয়নেরও বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে, তাই আমরা টেকসই বেরিবাধ বাস্তবায়নের দাবি জানাই।
কাকচিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন পল্টু জানান, কাকচিড়া মাঝের চর সহ তার ইউনিয়নে মোট ৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, মাঝের চরসহ সকল আশ্রয় কেন্দ্রে মোমবাতি, শুকনা খাবার সহ যাবতীয় সুবিধা পৌঁছানোর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে পাথরঘাটা উপজেলায় মোট ১৫৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর প্রভাব থেকে নিরাপদ থাকতে সকল আশ্রয় কেন্দ্র উন্মুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের সদস্যরা এলাকায় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক সতর্ক বার্তা কিছুক্ষণ পর পর পৌঁছে দিচ্ছেন। এ নিউজ লেখা পর্যন্ত পাথরঘাটায় তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর শোনা যায়নি।