হিলিতে আকস্মিক বন্যার জন্য ভারতকে দায়ী করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Thursday, 22 August, 2024, 7:30 PM
হিলিতে আকস্মিক বন্যার জন্য ভারতকে দায়ী করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ভারত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ডম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করেছে অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে হাকিমপুরের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় হিলি চার মাথায় শিক্ষার্থীরা এ সমাবেশ করে। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে হাকিমপুর উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে হিলি চেকপোস্ট এসে কর্মসূচি শেষ হয়। মিছিলে তারা ভারত যখন পানি ছাড়ে আবরার তোমায় মনে পড়ে। যদি চাও মুক্তি ছাড়ো ভারত ভক্তি। বন্যায় যদি মানুষ মরে সেভেন সিষ্টার থাকবে নারে। আমরা দিলাম কন্যা তোমরা দিলা বন্যা স্লোগান দেয়।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়া মিল্লত নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আপনারা যদি একটু খেয়াল করেন দেখবেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের কুমিল্লা, ফেণী নোয়াখালী এই জেলা গুলি পানিতে ডুবে গেছে। এই জেলা গুলি কি শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ বাসকরে না এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা আছে। তারা অগ্রিম বার্তা না দিয়ে কেন এই পানি ছাড়ল? এটা কি কোন মুসলিমদের উপর জোড় ছিল? হিন্দুদের উপর জোড় ছিল না এটা সমগ্র বাংলাদেশ কে তারা ডুবানোর চেষ্টা, সমগ্র বাংলাদেশ কে পিছিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে তরা ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ছোটবেলা থেকে এ রাষ্ট্রটিকে আমরা বন্ধু রাষ্ট্র বলে জেনে এসেছি। কিন্তু ভারত উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ডম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে দিয়েছে। আমার দেশের মানুষ আজ পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে। এর মাধ্যমেই স্পষ্ট বোঝা যায় ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র নয়। তারা শুধু আমাদের ব্যবহার করতে চায়।
এ বিষয়ে আরেক শিক্ষার্থী বলেন আমরা প্রতিবছরই দেখি সাথে যে কাজটি করে আকুতি বছরে পানি ছেড়ে দেয় বাংলাদেশকে ডুবিয়ে দেয় এটার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করেনি বা করার সাহস করেনি আমরা প্রতিবাদের পথে নেমেছি প্রতিবাদ চলবে যারা বলে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র তাদেরকে এখন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর সময় যে তারা আসলে আমাদের বন্ধু না যদি আমাদের বন্ধু হত তা হলে এ রকম করতো না ভারতের ডম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে দেয়ায় বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ভারত তার ইচ্ছামাফিক গেট খুলবে আবার বন্ধ করবে এমন চলতে পারে না। আমরা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা চাই। ভারত তার আগ্রাসনের কারণে নেপাল, ভূটান, মালদ্বীপের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছে। এরকম চলতে থাকলে বাংলাদেশের জনগণও ভারতকে প্রত্যাখ্যান করবে।