|
মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ সাতক্ষীরা পৌরবাসী
জি,এম,আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা
|
![]() মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ সাতক্ষীরা পৌরবাসী শহরের মুসজিতপুরের বাসিন্দা আব্দুল আলীম বলেন, রাতে ঘুমানো বা দিনে কাজ করা এমনকি ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা সব কিছুই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দরজা-জানালা বন্ধ রেখেও মশার কামড় থেকে মুক্তি মিলছে না। সাবিনা খাতুন বলেন, মশার কামড়ে সাহরি ও ইফতার করা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। সাতক্ষীরা শহরের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কেও এক মিনিট স্থির হয়ে বসতে পারছেন না অবসর কাটাতে আসা মানুষ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩১.১০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় অন্তত ২০০ কিলোমিটার ড্রেন, দেড় শতাধিক ডাস্টবিন, কসাইখানা ও গণশৌচাগার রয়েছে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে এগুলো এখন মশার নিরাপদ প্রজননস্থলে পরিণত হয়েছে। শহরের বুক চিরে প্রবাহিত প্রাণসায়র খালও মশার বংশবিস্তারের অন্যতম স্থান। পরিবেশ কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, শহরের জলাবদ্ধ এলাকা ও অপরিচ্ছন্ন ড্রেনগুলোই মশার বংশবিস্তারের প্রধান কারণ। নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে মশার উৎপাত বেড়েই চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মশার বংশবিস্তার রোধে আগে পৌর কর্তৃপক্ষ মাঝে মধ্যে ফগার মেশিন ব্যবহার করলেও এখন তা একেবারেই বন্ধ রয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন বলেন, শুধু স্প্রে নয়, মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের ব্যবস্থা করতে হবে। আধুনিক পদ্ধতিতে মশক নিধনের উদ্যোগ নিতে হবে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: লিয়াকত আলী বলেন, আমরা নিয়মিত মশক নিধনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে বাসিন্দাদেরও সচেতন হতে হবে এবং বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
