|
তেল সংকট: ইচ্ছেমতো ভাড়া দাবি রাইড শেয়ারিং চালকদের
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() তেল সংকট: ইচ্ছেমতো ভাড়া দাবি রাইড শেয়ারিং চালকদের বনশ্রীর বাসিন্দা আহমেদ জুয়েল, যিনি গুলশান-২ এর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তিনি জানান— আগে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় কর্মস্থলে যাতায়াত করতেন। কিন্তু বর্তমানে একই দূরত্বে যেতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে, এর কমে কোনো চালক যেতে রাজি হচ্ছেন না। আরেক যাত্রী সেলিম মিয়ার ভাষ্য, তেল সংকটের অজুহাতে বাইক রাইডের ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ করে নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, যেখানে আগে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় যাওয়া যেত, এখন সেখানে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দিতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে রাজধানীতে দ্রুত যাতায়াতের জন্য রাইড শেয়ারিং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সময় বাঁচাতে অনেকেই বাইকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তবে সাম্প্রতিক তেল সংকটে সেই সুবিধা এখন ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই—রামপুরা ব্রিজ, হাতিরঝিল, কাওরান বাজার, ফার্মগেট, গ্রিন রোড, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১০, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর, মহাখালী, বনানী, বাড্ডা, সায়দাবাদ ও যাত্রাবাড়ীসহ—রাইড শেয়ারিং চালকরা বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার থেকে অফিস-আদালত খুলেছে। গ্রাম থেকে ফেরা মানুষের চাপ বাড়ায় ঢাকার প্রবেশপথগুলোতেও বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। অন্যদিকে চালকদের দাবি, তেলের মূল্য না বাড়লেও সরবরাহ সংকটের কারণে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। সুমন নামের রাইড শেয়ারিংয়ের চালক বলেন, “তেল নিতে গেলে অর্ধেক দিন চলে যায়, আবার ঠিকমতো তেলও পাওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া নিতে হচ্ছে।” সব মিলিয়ে তেল সংকটের প্রভাব সরাসরি পড়েছে নগরীর যাতায়াতে, যেখানে যাত্রী ও চালক—উভয় পক্ষই ভোগান্তির শিকার। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
