ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 15 June, 2026, 6:54 PM

ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি

ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম, খুন ও গণহত্যার অন্তত ১০টি মামলার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।

তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ও ইন্টারপোলের মাধ্যমে আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়াও শুরু করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তার, তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা, ধরন এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ুম এবং সাবেক আইজিপি বাহারুল ইসলামও এই আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তার (বেনজীর) বিরুদ্ধে আমাদের এখানে প্রায় ১০টির মত মামলা, আমরা কিন্তু ইনভেস্টিগেশন করে যাচ্ছি এবং প্রত্যেকটার সাথে তার কানেকশন আছে। তিনি যখন র‌্যাবের প্রধান ছিলেন, তখন গুমের সাথে যেগুলো (মামলা) অলরেডি চলমান আছে, তার মধ্যে বিচার চলছে।

বেনজীরকে শাপলা চত্বরের ঘটনার অন্যতম কুশীলব হিসেবে বর্ণনা করে আমিনুল বলেন, তার বিরুদ্ধে আমাদের তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। চট্টগ্রামের একরাম কমিশনার হত্যাকাণ্ড, তার সাথেও তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল, সেখানেও তিনি আছেন। এবং আরো অন্তত ৭ থেকে ১০টি মামলার তদন্ত চলমান আছে, যেগুলোর প্রত্যেকটার মধ্যে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে।

বেনজীর অসংখ্য হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন দাবি করে আমিনুল বলেন, তিনি র‍্যাবের প্রধান হিসেবে অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তিনি যখন পুলিশের প্রধান ছিলেন, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, অসংখ্য অপরাধের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।

সাবেক এই আইজিপিকে ফিরিয়ে আনতে ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্টের কপি ইতোমধ্যে পুলিশের বিশেষ শাখা এনসিবিতে পাঠানো হয়েছে বলে মো. আমিনুল ইসলাম জানান।

তিনি বলেন, আমরা চিঠি দেব। ইতোমধ্যে আমরা সরকারের কাছে আমাদের ওয়ারেন্টগুলোর কপি দিয়ে দিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের সরকারের যে পুলিশের একটা সংস্থা আছে, যার মাধ্যমে রেড নোটিস বা কালার কোডের নোটিস পাঠানো হয়, আমরা অলরেডি আমাদের ওয়ারেন্টের কপি তাদেরকে দিয়ে দিয়েছি।

আমরা চিঠিটা পাঠাব আমাদের তদন্ত সংস্থা থেকে এনসিবিকে, ওখান থেকে ওটা যাবে সংশ্লিষ্ট ইন্টারপোলে।

বিস্তারিত আসছে 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status