ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ১ জুলাই ২০২৬ ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে স্কুলে শতাধিক শিক্ষার্থী
মোঃ লোকমান হোসেন, দীঘিনালা
প্রকাশ: Wednesday, 1 July, 2026, 6:15 PM

বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে স্কুলে শতাধিক শিক্ষার্থী

বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে স্কুলে শতাধিক শিক্ষার্থী

স্বাধীনতার এত বছর পরও খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পনছড়ি এলাকায় একটি ছোট খালের ওপর স্থায়ী সেতু নির্মাণ হয়নি। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বাঁশের তৈরি অস্থায়ী সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা এবং কর্মস্থলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মেরুং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পনছড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন বাসিন্দারা। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই দাবি বাস্তবায়নের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী নিজেরাই বাঁশ দিয়ে একটি অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছেন।

প্রতিদিন শতাধিক শিক্ষার্থী এই সাঁকো ব্যবহার করে বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে খালের পানি বেড়ে গেলে সাঁকোটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বৃষ্টির সময় পিচ্ছিল বাঁশের ওপর দিয়ে বই-খাতা নিয়ে পারাপারের সময় আতঙ্কে থাকতে হয় শিশুদের। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানান অভিভাবকরা।

শুধু শিক্ষার্থীরাই নন, কৃষক, শ্রমিক, রোগী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষকেও প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। জরুরি মুহূর্তে রোগী হাসপাতালে নেওয়া কিংবা কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছানোও দুরূহ হয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার বিষয়টি তুলে ধরা হলেও এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। তাদের ভাষায়, একটি ছোট সেতুর অভাবে পুরো এলাকার মানুষ বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সমীরণ চাকমা বলেন,-এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন বলেন,বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি এবং গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে শুধু শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হবে না, বরং সীমান্তবর্তী এই জনপদের শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা ও সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তাই দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status