|
গোমস্তাপুরে খরিফ-২ মৌসুমে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা সামগ্রী বিতরণের শুভ উদ্বোধন
কাবিরুল ইসলাম, গোমস্তাপুর
|
![]() গোমস্তাপুরে খরিফ-২ মৌসুমে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা সামগ্রী বিতরণের শুভ উদ্বোধন বুধবার সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা চত্বরে কৃষকদের মাঝে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাকলাইন হোসেন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও কৃষকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন , উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার লাবনী, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সেরাজুল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাকিব, ইব্রাহিম খলিল, আব্দুল আওয়াল, মমিনুল ইসলাম, প্রমূখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূলত রোপা আমন, পেঁয়াজ কন্দ, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং লেবু ও বিভিন্ন গাছ/বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। চলতি মৌসুমে উপজেলার তালিকাভুক্ত কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিনামূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হবে। রোপা আমন ধান (উফশী): মোট ৩০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ০১ বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি রোপা আমন (উফশী) ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হচ্ছে। পেঁয়াজ বীজ (কন্দ): মোট ৪০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ২০ শতক জমির জন্য ১৬০ কেজি পেঁয়াজ (কন্দ) বীজ, ২০ কেজি ডিএপি, ২০ কেজি এমওপি সার, ১ কেজি বালাইনাশক এবং ১টি সংরক্ষণ পাত্র দেওয়া হচ্ছে। গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি: মোট ১৮০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ১৬০ গ্রাম কলমি শাক, ১৫ গ্রাম লাউ, ৫ গ্রাম চালকুমড়া, ১০০ গ্রাম পুঁইশাক, ৫ গ্রাম বেগুন, ১০ গ্রাম মিষ্টিকুমড়া, ৫ গ্রাম শশার বীজ এবং সাথে ১৫ কেজি ডিএপি ও ১৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হচ্ছে। গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ: মোট ৯৫০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির জন্য ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার এবং প্রয়োজনীয় পলিথিন ও বালাইনাশক দেওয়া হচ্ছে। লেবু চাষ: মোট ২৫ জন কৃষকের প্রত্যেককে ৫টি করে লেবুর চারা ও ৩০ কেজি জৈব সার দেওয়া হচ্ছে। গাছ/বৃক্ষের চারা: এই খাতে নির্ধারিত কৃষকদের মাঝে প্রতিজনকে ১টি করে চারা, ৩০ কেজি জৈব সার এবং বাঁশের খুঁটি বিতরণ করা হচ্ছে (মোট লক্ষ্যমাত্রা ৪,৪৮০টি)। উদ্বোধনের প্রধান অতিথি ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সরকারের এই সময়োপযোগী প্রণোদনার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে উপজেলার কৃষকরা লাভবান হবেন এবং অঞ্চলে বিভিন্ন ফসলের সামগ্রিক উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা
১০ দিনে ৩ স্মার্টফোন বিস্ফোরণে এক জনের মৃত্যু: মৃত্যু মুখ থেকে ফিরলেন আরেক নারী (ভিডিও সহ)
গ্রাহকের অজান্তেই বিকাশ থেকে টাকা কেটে নিচ্ছে ফুডপান্ডা
সুন্দরবনের ভেসে আসা বনজ বীজ সংগ্রহ বন্ধে শ্যামনগরে লংমার্চ ফর ফরেস্ট ও স্মারকলিপি প্রদান
