|
ঈদগাঁওয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান
আজিজুর রহমান রাজু, কক্সবাজার
|
![]() ঈদগাঁওয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংচিংনু মারমার নেতৃত্বে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসস্টেশন এলাকা এবং বাজারের প্রবেশমুখের ডিসি সড়কের কিছু অংশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মহাসড়কের দুই পাশে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ঝুপড়ি দোকান, অস্থায়ী স্থাপনা ও অবৈধ সাইনবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়। কয়েকজন ব্যবসায়ীর মালামালও জব্দ করে প্রশাসন। অভিযান শেষে ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেন, পথচারী ও যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে কোনো ধরনের দোকান বা স্থাপনা বসাতে দেওয়া হবে না। উচ্ছেদ করা জায়গায় পুনরায় দখল করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। তবে স্থানীয় নিম্নআয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যাতে জীবিকা হারিয়ে অসহায় হয়ে না পড়েন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, দখলমুক্ত করার পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প স্থান বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অভিযানে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম সিফাতুল মাজদার, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর তাজ জনি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পরই কিছু কিছু স্থানে ফের ফুটপাত দখল করে দোকান বসাতে দেখা গেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি প্রশাসনের অভিযান কতটা স্থায়ী ফল দেবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযান পরিচালনার পর নিয়মিত তদারকি না থাকায় সুযোগ বুঝে আবারও ফুটপাত দখল করে দোকান বসাচ্ছেন কেউ কেউ। ফলে একদিকে অভিযান চালিয়ে দখলমুক্ত করা হলেও অন্যদিকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যদি একই জায়গায় ফের দখল শুরু হয়, তাহলে এ ধরনের অভিযান কতটা কার্যকর হচ্ছে—সে প্রশ্নও সামনে এসেছে। তাদের দাবি, শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, পুনরায় দখল ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি, কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা এবং নিম্নআয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। এতে একদিকে পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকাও সুরক্ষিত থাকবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
