|
'নদী ও পাখি' আলোকচিত্র বিষয়ক প্রদর্শনীর উদ্বোধন
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() 'নদী ও পাখি' আলোকচিত্র বিষয়ক প্রদর্শনীর উদ্বোধন নদী, পাখি, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’—ধরার উদ্যোগে ‘নদী ও পাখি’ বিষয়ক চার দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং ধরার উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। ধরার সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ধরার সদস্য জব্বার হোসেন। বক্তব্য দেন ধরার সদস্য সচিব শরীফ জামিল, রিভার বাংলার সম্পাদক ও ধরার সদস্য ফয়সাল আহমেদ এবং বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও পাখিবিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক। প্রদর্শনীতে আলোকচিত্রী ও আলোকচিত্র শিক্ষাবিদ আবির আবদুল্লাহর নদীবিষয়ক এবং পাখিবিষয়ক আলোকচিত্রী আনসার উদ্দিন খান পাঠানের আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। এসব ছবির মাধ্যমে নদী, জলাভূমি, পাখি ও প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, নদী, পাখি ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব। প্রদর্শনীর ছবিগুলো প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের জীবন ও ভবিষ্যতের সম্পর্ক মনে করিয়ে দেয়। নদী দখল, দূষণ ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মাহবুবা ফারজানা বলেন, প্রদর্শনীর প্রতিটি ছবির একটি গল্প রয়েছে। সেই গল্পগুলো মানুষের হৃদয় ও মননে ধারণ করতে হবে। প্রকৃতি রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, শুধু নদী ও পাখির সৌন্দর্য নয়, নদী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের বাস্তব চিত্রও মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। দখল, দূষণ ও পরিবেশবিনাশের ঘটনাগুলো নিয়মিত নথিবদ্ধ করলে জনসচেতনতা বাড়বে। এম এস সিদ্দিকি বলেন, ছবি তোলা শুধু একটি দৃশ্য ধারণ করা নয়; এর সঙ্গে দায়িত্বশীলতা, মৌলিকত্ব ও পেশাদারিত্বের বিষয়ও জড়িত। ইনাম আল হক বলেন, ছবি তোলা ও ভালোবাসার মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নদী বা পাখির ছবি তুলতে গিয়ে প্রকৃতিকে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ তৈরি হয়। আনসার উদ্দিন খান পাঠান বলেন, নদী, জলাভূমি ও পাখি পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। তাই পাখি রক্ষার পাশাপাশি নদী ও জলাভূমির আবাসস্থলও সংরক্ষণ করতে হবে। শরীফ জামিল বলেন, প্রদর্শনীর লক্ষ্য শুধু পাখির সৌন্দর্য দেখানো নয়, প্রকৃতির প্রতি মানুষের মায়া ও ভালোবাসা জাগানো। আবির আবদুল্লাহ বলেন, ক্যামেরা তাঁর কাছে নদী ও প্রকৃতির সময়ের সাক্ষী হয়ে থাকার একটি মাধ্যম। প্রদর্শনীটি ৩ থেকে ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারিতে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
