ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ● ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ● ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, রাসায়নিকের ঝাঁঝালো গন্ধ চারপাশে
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 14 October, 2026, 4:51 PM

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, রাসায়নিকের ঝাঁঝালো গন্ধ চারপাশে

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, রাসায়নিকের ঝাঁঝালো গন্ধ চারপাশে

টঙ্গীর চেরাগআলীতে ‘ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ এর ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন পৌনে চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিম জানান, বুধবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ওই কারখানায় আগুন লাগার খবর পান তারা।

এরপর একে একে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি অগ্নি নির্বাপণের কাজে যোগ দেয়।

সবার চেষ্টায় বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কথা জানায় ফায়ার সার্ভিস। তবে তখনো আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের সুপার মো. আমজাদ হোসেন জানান, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির ওই কারখানাটি ফার্মাসিউটিক্যালস ক্যাটাগরির। সেখানে ৩৮৫ জন শ্রমিক কাজ করেন।

এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানান, কারখানার দ্বিতীয় ইউনিটের ৫ তলা ভবনের চতুর্থ তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত কারখানার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

সে সময় অনেক দূর থেকেও কারখানার আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। আগুনের তীব্র তাপ ও রাসায়নিরে ঝাঁঝালো গন্ধে আশপাশে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়।

কারখানার ভেতরে রাসায়নিক ও বিভিন্ন শিল্পজাত উপকরণ থাকায় অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমও জটিল হয়ে পড়ে।

ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি কারখানা ভবনের বিভিন্ন অংশে কাচও রয়েছে। এ কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের ধারণা।

আগুন লাগার পরপরই কারখানার ভেতরে থাকা পানির ব্যবস্থা ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে একপর্যায়ে পানির সংকট দেখা দেয়।

পরে গাজীপুর, টঙ্গী, উত্তরা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে পানিবাহী গাড়ি এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

তাদের একজন জানান, আগুনের উৎস শনাক্ত করা এবং ভেতরের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার ফাইটাররা যখন ভবনের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, প্রচণ্ড তাপ, ঘন ধোঁয়া ও কেমিকেলের গন্ধের কারণে তাদের বেগ পেতে হচ্ছিল।

কেন ওই কারখানায় আগুন লাগল, আগুনে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে আগুনে ভেতরে থাকা ওষুধ, ওষুধ তৈরির উপকরণ ও যন্ত্রপাতি পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কারখানার মালিক ডা. মো. আমজাদ হোসেনের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

সেনাবাহিনী, বিজিবি, শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status