|
২+২ ও ৩+১ শিক্ষাপথ চালুতে ড্যাফোডিল ও ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয় অস্ট্রেলিয়া'র সমঝোতা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ২+২ ও ৩+১ শিক্ষাপথ চালুতে ড্যাফোডিল ও ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয় অস্ট্রেলিয়া'র সমঝোতা এ সমঝোতার আওতায় ডিআইইউর ব্যাচেলর অব এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ, ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) ইন ইংলিশ এবং ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন জার্নালিজম, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন (জেএমসি) প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। ২+২ শিক্ষাপথে শিক্ষার্থীরা ডিআইইউতে দুই বছর অধ্যয়নের পর অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ে তে পরবর্তী দুই বছর পড়াশোনা করবেন। অন্যদিকে, ৩+১ শিক্ষাপথে ডিআইইউতে তিন বছর অধ্যয়নের পর অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ে তে এক বছর অধ্যয়নের সুযোগ থাকবে। উভয় শিক্ষাপথই সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের অনুমোদন, ক্রেডিট স্থানান্তর ব্যবস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও একাডেমিক শর্ত পূরণের ওপর নির্ভরশীল। বৈঠকে ডিআইইউর প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ড. মো. সবুর খান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অস্ট্রেলিয়া জোনে ডিআইইউর প্রতিনিধি আবদুল খান রতন। ইউওডব্লিউর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল এনগেজমেন্টের অন্তর্র্বতীকালীন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক জিয়াংতাও শি, ফ্যাকাল্টি অব আর্টস, সোসাইটি অ্যান্ড বিজনেসের ডেপুটি ডিন (গ্রোথ অ্যান্ড গ্লোবাল) অধ্যাপক ভেঙ্কাটা ইয়ানামান্দ্রাম, ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্সেসের ডেপুটি ডিন (গ্রোথ অ্যান্ড গ্লোবাল) অধ্যাপক ফিলিপ ওগুনবোনা এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপস বিভাগের প্রতিনিধিরা। এই সমঝোতার ফলে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষাব্যবস্থায় অধ্যয়নের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, নতুন দক্ষতা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য পস্তুুতি নেওয়ার ক্ষেত্রেও এ শিক্ষাপথ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমান শিক্ষাপথের পাশাপাশি ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং যৌথ শিক্ষাদানের মতো ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক সমঝোতা ও একাডেমিক অনুমোদন সাপেক্ষে ভবিষ্যতে ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামেও এ সহযোগিতা বিস্তৃত হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস ২০২৭ অনুযায়ী, ইউনিভার্সিটি অব উলংগং বিশ্বে ১৯৫তম এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১৩তম স্থান অর্জন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের শীর্ষ ২০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পেয়েছে।
|
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
