ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২৮ জুন ২০২৬ ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ধর্ষণচেষ্টা মামলা মীমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান!
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 29 December, 2019, 7:37 PM

ধর্ষণচেষ্টা মামলা মীমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান!

ধর্ষণচেষ্টা মামলা মীমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান!

টাঙ্গাইলের কালিহাতীর নারান্দিয়া ইউপির চেয়ারম্যান শুকুর মামুদের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে স্কুলছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার মামলা মীমাংসার অভিযোগ উঠেছে। এরইমধ্যে বিষয়টিকে অন্যায় বলে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান।

রোববার বিকেলে তিন মাস আগে মীমাংসা করার এক লাখ ৬০ হাজার টাকা ভুক্তভোগীর পরিবারকে দিতে গেলে বিষয়টি ফাঁস হয়।

মামলার তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ৮ মার্চ দুপুরে নারান্দিয়া ইউপির এক স্কুলছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির বাইরে যায়। ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরার সময় প্রতিবেশী ফরমান আলীর ছেলে রাসেল তাকে ধর্ষণ চেষ্টা করে। ওই সময় ছাত্রীর চিৎকারে পরিবারে সদস্য ও স্থানীয়রা এগিয়ে এলে রাসেল পালিয়ে যায়। ঘটনার পরের দিন ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি মামলা করেন।

পুলিশের দেয়া তথ্যানুযায়ী, মামলার পর অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু কয়েকদিন জেল খাটার পর রাসেল জামিনে বের হয়ে আসে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার জানায়, রাসেল জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মামলা মীমাংসা করতে চেষ্টা শুরু করে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ মাতব্বররা মামলা মীমাংসার জন্য চাপ দেন। এক ধরনের জোর করে ভুক্তভোগী ও তার বাবার স্বাক্ষর সাদা কাগজে নেয়া হয়। এমনটি বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করেন চেয়ারম্যানসহ মাতব্বররা।

স্থানীয় মাতাব্বর জামাল, চন্দ্রি বাবু, যতা, দুলাল জানান, প্রায় তিন মাস আগে এক লাখ ৬০ হাজার টাকায় ধর্ষণচেষ্টা মামলার মীমাংসা করা হয়। ওই সময় চেয়ারম্যান টাকাগুলো মেয়ের পরিবারকে না দিয়ে আমাদের কাছে রেখে দিতে বলেন। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত টাকা দেয়া হবে না বলে নির্দেশ দেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে চেয়ারম্যানকে জানানো হয়। তিনি উপস্থিত থেকে নারান্দিয়া ইপিতে বসে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবারকে টাকা দেয়া হয়।

অভিযুক্ত নারান্দিয়া ইউপির চেয়ারম্যান শুকুর মামুদ বলেন, মীমাংসার জন্য কোনো চাপ দেয়া হয়নি। দুই পক্ষ বিষয়টি মীমাংসা করে দিতে বলেছে। তাই করে দিয়েছি। তবে এটি মীমাংসা যোগ্য নয়। এটি মীমাংসার করা আইন বিরোধী অপরাধ। তবে সামাজিক দিক বিবেচনা করে মীমাংসা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার ওসি হাছান আল মামুন জানান, গ্রাম্য সালিশে ধর্ষণচেষ্টা মামলা মীমাংসার বিষয়টি তার জানা নাই। যদি কেউ এটি করে, তবে তিনি অবশ্যই অন্যায় করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status