মৃত্যুর আগে স্কুলছাত্রী চিরকুটে লিখে গেলেন মর্মস্পর্শী কষ্টের কাহিনি
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Friday, 11 December, 2020, 12:32 PM
মৃত্যুর আগে স্কুলছাত্রী চিরকুটে লিখে গেলেন মর্মস্পর্শী কষ্টের কাহিনি
মৌসুমি, মেঘলা সাজেদা, আজাদ, খুশি, নিশি, শফিক, মোশাররফ ও ময়নালের সহায়তায় বিথি (ছদ্মনাম) ও রাশেদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তাদের একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়।
প্রেমিক রাশেদ প্রেমের ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণ করায় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে বিথি। কিন্তু প্রেমিক রাশেদ তা অস্বীকার করলে স্থানীয় স্কুলে পড়ুয়া ৮ম শ্রেণির ছাত্রী বিথি চিরকুট লেখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পুলিশ বিথির লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে। যাতে লেখা রয়েছে মর্মস্পর্শী এক কষ্টের কাহিনি।
প্রেমিক রাশেদের কাকা তামজিদসহ তারা সবাই মিলে তার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে বলে চিরকুটে উল্লেখ ছিল। তাদেরকে ক্ষমা না করার জন্য বলা হয়েছে ওই চিরকুটে। এটি বিথির হাতের লেখা চিরকুট বলে পরিবার দাবি করেছে।
শেরপুর সদর উপজেলার কুঠুরাকান্দার পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে ওই স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র থেকে জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার কুঠুরাকান্দা পশ্চিমপাড়া এলাকার ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে একই গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার অপর স্কুলছাত্র রাশেদের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে বন্ধুদের সহযোগিতায় একাধিকবার বিথি-রাশেদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। ফলে বিথি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে প্রেমিক রাশেদ প্রেমের সম্পর্ককে অস্বীকার করে, যা মানতে না পেরে লজ্জায় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করে বিথি।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাতে আমাদের পুলিশ ওই স্কুলছাত্রীর লাশ তাদের বাড়ির একটি ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ সময় একটি চিরকুট পাওয়া যায়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।