|
পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি উদ্ধারে ‘প্রত্যয়ে’র পরিবর্তে আসছে ‘রুস্তম’
মোহম্মদ ইউনুস আলী, মানিকগঞ্জ
|
![]() পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি উদ্ধারে ‘প্রত্যয়ে’র পরিবর্তে আসছে ‘রুস্তম’ স্থানীয় উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা দিয়ে কাজ অব্যাহত রয়েছে। ফেরি দুর্ঘটনার তিন দিনের মাথায় বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক গতকাল শুক্রবার ঘটনাস্থলে আসেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন শেষে বলেন, “চাঁদপুর থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় নাব্যতা সংকটের কারণে পাটুরিয়ায় আসতে পারবে না। তবে, মুন্সিগঞ্জ থেকে অপর উদ্ধার জাহাজ রুস্তম রওয়ানা দিয়ে রাতের মধ্যে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। হামজা ও রুস্তমের প্রতিটির ৬০ টন ধারণ ক্ষমতার তুলনায় নিমজ্জিত ফেরি ভারি হাওয়ায় তা উদ্ধারে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া, বেসরকারী উদ্যোগে ফেরি উদ্ধারের চিন্তা-ভাবনা চলছে। প্রথমে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তরে তথ্য দিতে চাননি। উল্টো তিনি সাংবাদিকদের সাথে উচ্চ-বাচ্য করেন। ঢাকা থেকে আসা ও স্থানীয় সাংবাদিকরা একজোট হলে পরিস্থিতি বুঝে তিনি দু:খ প্রকাশ করেন। উদ্ধার অভিযান প্রধান বিআইডব্লিটিএ’র যুগ্ম পরিচালক মোঃ ফজলুর রহমান জানান, ডুবে থাকা ফেরির মধ্যে সকল যানবাহন শনাক্ত করা হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতার ৩য় দিন শুক্রবার আরো দুটি ট্রাক ও একটি কভার্ডভ্যান উদ্ধার করা হয়। পলির কারনে উদ্ধার কাজে কিছুটা ব্যঘাত ঘটলেও আগামী শনিবারের মধ্যে বাকি যানবাহন গুলো উদ্ধারের জোড় চেষ্ঠা চলছে। অপর দিকে, ফেরি ডুবির কারনে পাটুরিয়ার ৫নং ঘাটটি বন্ধ থাকায় ৩ ও ৪ নং ঘাটের পন্টুনযোগে ফেরিতে যানবাহন লোড-আনলোড করা হচ্ছে। দুটি মাত্র ঘাটযোগে লোড-আনলোড করায় ফেরিতে কাংক্ষিত যানবাহন পারাপারে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধা পর্যন্ত ফেরি পারের জন্য পাটুরিয়ায় পাচশতাধিক পন্যবাহী ট্রাক ও অর্ধশত প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস অপেক্ষায় ছিল। অপেক্ষামান যানবাহন পারাপারে বহরের ছোট-বড় ২০টি ফেরির মধ্যে ১৫টি চলাচল করছে। ডুবন্তসহ বাকি পাঁচ টি ফেরির মধ্যে ভাষা শহীদ বরকত ও শাহ-আলী নামে দুটিকে মেরামতের জন্য সংস্থার নিজস্ব ডকইয়ার্ড নারায়নগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বহরের রোরো ফেরি শাহ জালাল ও ইউটিলিটি বনলতা যান্ত্রিকত্রুটির কারনে সাময়িক বন্ধ রয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাটুরিয়া ৫নং ফেরি ঘাটে তিন তলা বিশিষ্ট রো-রো ফেরি শাহ্-আমানত আকস্মিকভাবে নদীতে হেলে পড়ে ডুবে যায়। এতে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, ২০০৫ সালে আরিচার নিকট এমভি রায়পুরা ও ২০১৩ সালে পাটুরিয়ার নিকট এমভি মোস্তফা নামে লঞ্চডুবির ঘটনায় প্রায় ২শ’ যাত্রী মারা যায়। নিখোঁজ থাকে অনেকেই। এ দুটির মধ্যে রায়পুরা লঞ্চ উদ্ধারের চেষ্টা ৬দিন পর পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়। বর্তমানে পাটুরিয়া কাত হয়ে পড়া ফেরি উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের ডুবুরি দল, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ, নৌবাহিনী ও বিআইডব্লিউটিএ'র উদ্ধারকর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন। ফেরি ডুবির ৩য় দিনেও হাজার হাজার উৎসুক জনতার ভীড় পরিলক্ষিত হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন
