|
বাগমারায় সোনালী ব্যাংক থেকে গৃহবধূর টাকা নিয়ে উধাও তিন প্রতারক
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বাগমারায় সোনালী ব্যাংক থেকে গৃহবধূর টাকা নিয়ে উধাও তিন প্রতারক সকালে উপজেলার চানপাড়া গ্রামের গৃহবধূ খাদিজা বেগম (৪৫) গোডাউন মোড়ে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক ভবানীগঞ্জ শাখায় যান। নিজের জমানো টাকা ব্যাংকের ওই শাখা থেকে উত্তোলনের জন্য ৬৮ হাজার টাকার একটি চেক নারী গ্রাহকদের বুথে দেন। এসময় তাঁর পেঁছনে তিনজন প্যান্ট, শার্ট পরা তিন ব্যক্তি ছিলেন। এদের মধ্যে একজন গ্রাহকের কাছাকাছি ছিলেন। ব্যাংক থেকে টাকা ওই নারী গ্রাহককে বুঝে দেওয়ার পর তিনজন ওই তিন ব্যক্তি কাছাকাছি আসেন। এদের মধ্যে একজন ওই নারীকে নিজেকে ব্যাংকের লোক পরিচয় দেন। ভুলক্রমে তাঁকে জাল টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান। টাকাগুলো পাল্টে আসল টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে টাকাগুলো নেন। তিনি পাশের কাউন্টারে যাওয়ার কথা বলে সটকে পড়েন। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য দুই ব্যক্তিও সটকে পড়েন কৌশলে। দীর্ঘ সময় পার হলে তাঁরা ফিরে না আসায় সন্দেহ হয়। পরে তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও স্বজন জানালে প্রতারিত হওয়ার বিষয় নিশ্চিত হয়। ব্যাংক থেকে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে তিন প্রতারককে সনাক্ত এবং টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়। তবে তাঁদের সনাক্ত করতে না পেরে বিকেলে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ওই গ্রাহকের ছেলে ডিম ব্যবসায়ী আবু মূসা মিঠু বলেন, তাঁর মা সহজ সরল। সরল বিশ্বাসে ব্যাংকের লোক ভেবে টাকাগুলো দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন। প্রতারিত খাদিজা বেগম বলেন, প্রতারক নিজেকে ব্যাংকের লোক পরিচয় দেওয়াতে বিশ্বাস হয়েছে। ব্যাংকের ভেতরে এরকম হবে তা ভাবতে পারেননি। থানায় জানানো হয়েছে, টাকা ফেরত পাওয়াসহ প্রতারকদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি বলেন, সিসি ফুটেজে যা দেখলাম তাতে মনে হয়েছে, প্রতারকেরা আগ থেকে ওই নারী গ্রাহককে অনুসরণ করেছে। সুযোগ বুঝে টাকা নিয়ে সটকে পড়েছে। তাঁদের পরে জানানো হয়েছে। গ্রাহককে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে। বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম জানান,পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রতারকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
