|
যমুনা টিভির সাংবাদিক রনি মিয়াজীর বিরুদ্ধে নেগেটিভ নিউজের ভয় দেখিয়ে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগ
মুস্তাক আহমেদ
|
![]() যমুনা টিভির সাংবাদিক রনি মিয়াজীর বিরুদ্ধে নেগেটিভ নিউজের ভয় দেখিয়ে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগ অভিযোগে জানানো হয় সাংবাদিক রনি মিয়াজী গত ০২ (দুই) মাস ধরে প্রনোদনা নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসকে হেনস্থা করছে । কৃষি অফিস চত্বরে মূলতঃ গত ০২ জানুয়ারী প্রনোদনা নিয়ে সাংবাদিক রণি মিয়াজী নেগেটিভ নিউজ করার ভয় দেখিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসের কাছে ০৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন। সর্বশেষ ২৭ জানুয়ারী সাবেক ইউএনও মহোদয়ের বিদায় কালে প্রনোদনার ব্যায় বিল মিটানোর জন্য কৃষি অফিসকে চেক দিয়ে যান এবং সে এই বিষয়টি অবগত হন। তারপর থেকেই বিভিন্ন ভাবে কৃষি অফিসের কাছ থেকে টাকা চায়, কিন্তু টাকা না পেয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নর্থবাংলা ২৪ সংবাদের আলো, দৈনিক ঝড় এ কৃষি অফিসের বিরুদ্ধে নিউজ করে। তারই প্রেক্ষিতে তেঁতুলিয়ার কিছু সাংবাদিক (৪/৫) জন প্রকাশিত নিউজের ব্যাপারে জানতে আসলে কৃষি অফিসার তাদের সামনাসামনি কথোপকথনের মাধ্যমে সব বুঝিয়ে দেন এরপর আগত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে করনীয় কি জানতে চান । এমন প্রশ্নে উত্তরে উপস্থিত সাংবাদিকদের ভিতরে আশরাফুল ইসলাম বলেন প্রেস ব্রিফিং করে সব তথ্য উপস্থাপন করে জানিয়ে দিতে। তাহলে এ বিষয়ে আর কোন সাংবাদিক আসবেনা। কিন্তু সেখানে উপস্তিত সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম তার মোবাইলে গোপনে ফরমাল কথাগুলো রেকর্ড করে । তরিকুল সাংবাদিক অডিও ক্লিপটি রনি মিয়াজির কাছে হস্তান্তর করলে রনি মিয়াজি সেই অডিও ক্লিপটির অংশবিশেষ সাংবাদিক আবু নাঈম বাসস এর পঞ্চগড় প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করেন। আবু নাঈম ফেসবুকে কৃষি অফিসার ও সাংবাদিক আশরাফুলের গোপন অডিও শিরোনামে প্রকাশ করেন, যা আমার অজানা। এহেন কাজ আমার জন্য খুবই দুঃখজনক এবং মানহানিকর এবং তাদের করনীয় কাজটি আইনের পরিপন্থী । কৃষি অফিসার তামান্না ফেরদৌস আরও দাবি করেন রনি মিয়াজী কৃষি অফিস হতে তথ্য দেওয়া হয়না বলে যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা । কারণ তিনি যে আবেদন করেছিলেন তার প্রেক্ষিতে কৃষি অফিসের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা তাকে একাধিকবার ফোন করে এবং তার আবেদন অসম্পূর্ণ হওয়ায় সঠিকভাবে তথ্য দেয়া এবং তিনি কিভাবে তথ্য নিতে চান তার কোন ব্যাখ্যা প্রদান করেন নি। অথচ সাংবাদিক রনি মিয়াজী গত দু মাস ধরে কোন যোগাযোগ করেন নি। এমনকি তিনি ফোন ও ধরেননি। কিভাবে রনি মিয়াজী আপনার কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে এমন প্রশ্নে তামান্না ফেরদৌস বলেন রনি সরাসরি আমার কাছে টাকা দাবি করেন নি। সে আমাদের অফিসের উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব এর কাছে টাকা দাবি করেছে । উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব বলেন ০২ জানুয়ারী ঘটে যাওয়া প্রনোদনার নেগেটিভ নিউজ প্রদানের ভয় দেখিয়ে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন আমার কাছে। সেই টাকা দিতে না পারায় তেঁতুলিয়ায় কর্মরত এক সাংবাদিকদের মাধ্যমে একটি ক্যামেরা কিনে দেওয়ার সুপারিশ পাঠায় রনি মিয়াজী। টাকা অথবা ক্যামেরা কিছুই যখন আমরা দিতে পারিনি তখন গত ১৮ মার্চ বিভিন্ন পত্রিকায় মিথ্যা নিউজ প্রকাশ করে। কৃষি অফিসার তামান্না ফেরদৌস বলেন মিথ্যা নিউজ প্রকাশের জন্য আমরা অফিস থেকে একাধিক পত্রিকায় প্রতিবাদ ছাপিয়েছি। উক্ত নিউজের সত্যতা জানতে সেদিন ৪/৫ জন সাংবাদিক কৃষি অফিসে আসেন। আমি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত কামনা করেছি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন
