|
চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ২ জনের
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ২ জনের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আহতদের মধ্যে একজনকে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া ট্রাস্টের মেডিকেল টিমের মাধ্যমে। টিমের সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, ভিড়ের মধ্যে গরমে অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকজন নিচে পড়ে যান। এ সময় পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় আটজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যার মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়। জুলুসের আনুষ্ঠানিকতা সকাল ১০টায় আলমগীর খানকা শরীফ থেকে শুরু হয়। নিরাপত্তার জন্য বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবকরা পুরো আয়োজনকে সফল করতে কাজ করছেন। ভোর থেকে নগরের বিভিন্ন মোড়ে ট্রাক ও মিনি ট্রাক সাজিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য অপেক্ষা করা হয়। চট্টগ্রামে জশনে জুলুস আয়োজনের ইতিহাস ১৯৮০ সালে শুরু হয় এবং এটি ৫৪ বছর ধরে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। জুলুসের নেতৃত্ব দেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ। এতে বিভিন্ন পীর-মাশায়েখ ও আলেম-ওলামারা অংশ নেন। আল্লামা সাবির শাহ বলেন, জশনে জুলুস নবীপ্রেমের সোনালি প্রদীপ। লাখো মানুষের অংশগ্রহণ মুসলমানদের নবীজির প্রতি ভালোবাসা ও ঐক্যের প্রতিফলন। শোভাযাত্রায় ভক্তদের জন্য প্রতিটি মোড়ে শরবত, পানি ও তাবাররুকের ব্যবস্থা রাখা হয়। ছোট শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এই সেবায় অংশ নেন। পুরো জুলুস অতিথি আপ্যায়ন ও ভ্রাতৃত্বের মহোৎসবের রূপ নেয়। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক এই জুলুস এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রা হিসেবে পরিচিত। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
