ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
গোখাদ্য সংকটে বরিশালের গ্রামাঞ্চল: চড়া দামে নাড়া কিনে গবাদিপশু লালনে হিমশিম প্রান্তীক খামারি গন
আলতাফ হোসেন অনিক
প্রকাশ: Saturday, 7 February, 2026, 11:17 AM

গোখাদ্য সংকটে বরিশালের গ্রামাঞ্চল: চড়া দামে নাড়া কিনে গবাদিপশু লালনে হিমশিম প্রান্তীক খামারি গন

গোখাদ্য সংকটে বরিশালের গ্রামাঞ্চল: চড়া দামে নাড়া কিনে গবাদিপশু লালনে হিমশিম প্রান্তীক খামারি গন

বরিশালের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চলে গবাদিপশু লালন-পালনে মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান ও পর্যাপ্ত গোখাদ্যের অভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারি ও প্রান্তিক কৃষকেরা। বিশেষ করে ধানের মৌসুম শেষে গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত খড় ও নাড়া কুটার তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় বাধ্য হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে অতিরিক্ত দামে ধানের গোড়া বা নাড়া কুটা কিনে গরু ও বাছুরের খাবারের চাহিদা মেটাতে হচ্ছে।

স্থানীয় খামারিরা জানান, আগে আশপাশের এলাকা থেকেই সহজে খড় সংগ্রহ করা গেলেও বর্তমানে তা প্রায় দুর্লভ হয়ে উঠেছে। ফলে কয়েকগুণ বেশি দামে গোখাদ্য কিনতে হচ্ছে, যা তাদের উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে গরু পালনই লোকসানের মুখে পড়ছে।

এ সুযোগে কুটো ব্যবসায়ীরা পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন জেলা থেকে খড় ও নাড়া সংগ্রহ করে সাতলা, বাগধা, পয়সার হাটসহ বিভিন্ন হাটবাজারে চড়া দামে বিক্রি করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করছেন, যার চাপ গিয়ে পড়ছে সাধারণ খামারিদের ওপর।

সাতলা ইউনিয়নের এক খামারি বলেন, একসময় যেখানে কম দামে গোখাদ্য পাওয়া যেত, এখন সেখানে দ্বিগুণ-তিনগুণ দাম দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে কুরো ভুশী সহ সকল প্রকার পুটিন যুক্ত খাবারের অনেক দাম। এই অবস্থায় গরু পালন চালিয়ে যাওয়া আমাদে পক্ষে খুবই কষ্টকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গোখাদ্য সংরক্ষণ, সাইলেজ পদ্ধতি ও বিকল্প খাদ্য ব্যবহারে খামারিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে এ সংকট অনেকটাই কমানো সম্ভব। পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে গোখাদ্য ব্যবস্থাপনা ও বাজার তদারকি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় খামারি ও কৃষকেরা।

গোখাদ্য সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে বরিশাল অঞ্চলে গবাদিপশু পালন ও দুগ্ধ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status