|
নৌকার সঙ্গে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, ৬ দিন পর লাশ উদ্ধার
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() নৌকার সঙ্গে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, ৬ দিন পর লাশ উদ্ধার নিহত মকবুল হোসেন উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর ড্রেজার থেকে নিখোঁজ হন মুকবুল। এরপর স্বজন ও স্থানীয়রা নদীসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এদিকে একই এলাকায় রুবেল মিয়া নামে আরও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে রুবেল মিয়াকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় তাকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মুকবুলের সন্ধান না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল রোববার সকাল ৮টা থেকে মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশির পর দুপুর দেড়টার দিকে পানির তলদেশে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মুকবুলের মরদেহের সন্ধান পান ডুবুরিরা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে ডুবুরি আশিক মাহমুদ ও দেলোয়ার হোসাইন উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। মুকবুলের বড় ভাই বাবুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ড্রেজারে কাজ করতে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাত থেকেই তার কোনো খোঁজ পাইনি। আজ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও হত্যার বিচার চাই। মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বলেন, মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে একজনের মরদেহ থাকতে পারে- মডেল থানার কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়ে সকাল ৮টা থেকে তল্লাশি শুরু করি। দুপুর দেড়টার দিকে পানির তলদেশ থেকে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে নিহতের পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
