ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
‘স্ত্রী পরিচয়ে সহপাঠীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যেতো শিঞ্জন’
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 19 August, 2019, 7:12 PM

‘স্ত্রী পরিচয়ে সহপাঠীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যেতো শিঞ্জন’

‘স্ত্রী পরিচয়ে সহপাঠীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যেতো শিঞ্জন’

খুলনা মহানগরীর বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কর বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ছেলে শিঞ্জন রায় (২৫) তার সহপাঠী ওই ছাত্রী (২০) কে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে নিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে রেখেছিল। তাছাড়াও সোনাডাঙ্গাস্থ আবাসিক হোটেলসহ তাকে বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া করে রেখে ধর্ষণ করতো। বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হওয়াসহ নানা ধরনের আশ্বাসও দিয়েছে শিঞ্জন। এ নিয়ে ধর্ষণ মামলা হলে গ্রেপ্তার করা হয় শিঞ্জনকে। রোববার শিঞ্জন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। এদিকে ভিকটিম ওই ছাত্রীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) থেকে রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানান গেছে, নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে খুলনার কর কমিশনার প্রশান্ত কুমার রায়ের ছেলে শিঞ্জন রায় (২৫)। ওই ছাত্রী যে ভাড়া বাসায়, আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন বন্ধু বান্ধবের বাসায় নিয়েও শিঞ্জন তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতো। এরপর ওই ছাত্রী চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গর্ভবতী হয়ে পড়েন। শিঞ্জন তাকে বিয়ে করবেন বলে নানাভাবে আশ্বস্তও করেছেন। এ অবস্থায় শিঞ্জন গত ১৪ই আগস্ট অন্যত্র বিয়ে করেন। ১৬ই আগস্ট নগরীর হোটেল সিটি ইনে পূর্বনির্ধারিত বৌভাত অনুষ্ঠানের দিন নির্ধারিত ছিল।

এদিকে বিয়ের খবর ওই ছাত্রীর কানে পৌঁছালে সে শিঞ্জনের খোঁজে গত ১৫ই আগস্ট রাত ১০টার দিকে মুজগুন্নী আবাসিকের ১৬ নম্বর রোডে যান। সেখানে গিয়ে শিঞ্জন রায়ের দেখা পায়। এ সময় তার বিয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে সে তাকে সেখান থেকে ইজিবাইকে জোর করে তুলে দিতে গেলে স্থানীয়দের নজরে আসে। এরপর থানা পুলিশের কাছে খবর গেলে তারা দু’জনকেই সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ ১৫ই আগস্ট সাড়ে ১২টার ওই ছাত্রীকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে হস্তান্তর করেন। এরপর রাত ৩টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রেরণ করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই ছাত্রীকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ১৬ই আগস্ট সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় ওই ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে শিঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন (নং-২০)।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, এজাহারভুক্ত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। রোববার শুনানি শেষে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তিনি বলেন, এজাহারের বাদিনীর অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এজাহারে উল্লিখিত ভিকটিমকে ধর্ষণের স্থানসমূহের মধ্যে কয়েকটি স্থানের তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে শুক্রবার সকাল থেকে গত ২৪ ঘণ্টা ওসিসিতে রাখা হয়েছিল। এসময় তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও তাকে মানসিক নিরাপত্তা দানের লক্ষ্যে কাউন্সিলিং করা হয়। শনিবার দুপুরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তার পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতে নিয়ে গেছে।

খুমেক হাসপাতালের ডা. শফিউজ্জামান বলেন, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্যাম্পল নেয়া হয়েছে। এছাড়াও ডিএনএ টেস্টের জন্যও স্যাম্পল নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। সূত্র: মানবজমিন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


Also News   Subject:  আবাসিক হোটেল  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status