|
ষাঁড়ের মালিকের সন্ধান পেতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, অতঃপর..
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
|
ষাঁড়ের মালিকের সন্ধান পেতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, অতঃপর জানা গেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে আহত ষাঁড়টি পান নওগাঁ ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের আছান আলীর দুই ছেলে জামিল হোসেন ও কামিল হোসেন। তারপর ষাঁড়টি নিয়ে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। একাধিক গ্রামবাসী ষাঁড়টি তারা প্রথমে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি সংঘাতে রূপ নিলে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘাত এড়াতে প্রথমে ষাঁড়টি ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মজিবুর রহমানের জিম্মায় রাখেন। এরপর ষাঁড়টির মালিক খুঁজতে পত্রিকায় দেওয়া হয় বিজ্ঞাপন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও খোঁজা হয় ষাঁড়টির মালিক। এরপরও ষাঁড়টির মালিক খুঁজে না পাওয়ায় শেষমেষ ঘটনা গড়ায় আদালতে। পরে আদালত ষাঁড়টি নিলামে বিক্রি করে সে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। অন্যদিকে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক তাড়াশ থানা পুলিশ মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) ষাঁড়টির নিলামের আয়োজন করে। ২৬ হাজার টাকায় সবোর্চ্চ ডাকদাতার কাছে বিক্রি করা হয় ষাঁড়টি। বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক সে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন। ওসি ফজলে আশিক বলেন, কুড়িয়ে পাওয়া ষাঁড়টি নিয়ে এলাকার লোকজনের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সংঘাত এড়াতে আদালতের আদেশ নিয়ে ষাঁড়টি নিলামে বিক্রি করে সে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। সম্পাদনায়: তাহের রাব্বী |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
রেজাউর রহমান ফাহিম বনানী থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
বনশ্রী সোসাইটি নির্বাচন: এগিয়ে বাতেন-দুলাল পরিষদ, যুগ্ম শিক্ষা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে রাশেদ আকন
বিদেশে কাজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা: ৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরলেন হাজার হাজার কর্মী
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জরিপ নিয়ে আঞ্চলিক কর্মশালা
