রোববার রাতে এশার নামাজের সময় উপজেলার দক্ষিণ লোহাজুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফজিলাতুন্নেসা একই গ্রামের নুরু মিয়ার স্ত্রী।
ফজিলাতুন্নেসার স্বামী মো. নুরু মিয়া বলেন, রোববার রাতে এশার নামাজের আগে অজু করার জন্য আমাকে পানি গরম করে দেন ফজিলাতুন্নেসা। দুজনেই অজু করে এশার নামাজ পড়তে শুরু করি। আমার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা সিজদায় গিয়ে আর মাথা না ওঠালে তাকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু সাড়া না পেয়ে শরীরে হাত দিতেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
তিনি বলেন, আমার স্ত্রী অত্যন্ত সহজ-সরল ও ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি আট মেয়ে ও এক ছেলের জননী। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তাকে দেখতে শতশত নারী ছুটে আসেন।