ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
দুর্গম সাজেক পাহাড়ে কৃষকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ঝাড়ুফুল
রুপম চাকমা ,বাঘাইছড়ি
প্রকাশ: Sunday, 11 February, 2024, 10:29 PM

দুর্গম সাজেক পাহাড়ে কৃষকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ঝাড়ুফুল

দুর্গম সাজেক পাহাড়ে কৃষকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ঝাড়ুফুল

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক পাহাড়ি এলাকায় ফোটে ঝাড়ুফুল।  এই ঝাড়ুফুল দিয়ে বানানো হয় ঝাড়ু। সেই ঝাড়ু পাহাড় থেকে সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করেন স্থানীয় পাহাড়ি নারী পুরুষরা। 

 রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট সাজেক সড়কের যেদিকে চোখ যায়, শুধু ঝাড়ুফুলের সমারোহ। এইঝাড়ু ফুল থাকবে চৈত্র পর্যন্ত।

পাহাড়ে প্রাকৃতিকভাবে ফোটা এ ফুলের ১৫ থেকে ২০টি দিয়ে কাট বেঁধে ঝাড়ু বানানো হয়। সেই ঝাড়ু স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয় ২০ থেকে ২৫ টাকায়।

শুধু স্থানীয় বাজারে নয়, সারা দেশে রয়েছে এ ঝাড়ুর চাহিদা। তাই অনেকে বাড়তি আয়ের উপায় হিসেবে নেন ঝাড়ু বানানোকে।

সাজেক ইউনিয়নের বাইবাছড়া গ্রামের ঝাড়ুফুল বাগিচার মালিক প্রভাত চাকমা জানান, গত বছর ঝাড়ু বিক্রি করে প্রায় ২ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। তার আশা, এ বছর ঝাড়ু থেকে আয় হবে প্রায় তিন লাখ টাকা। 

ঝাড়ু ফুলের ব্যবসায়ী বুদ্ধ ধন চাকমা বলেন,এটা পাহাড়ের প্রাকৃতিক নিয়মে বেড়ে উঠে ফলে এর জন্য অন্যান্য চাষাবাদের মতো ঝামেলা পোহাতে হয়না এবং মুনাফাও ভালো পাওয়া যায়।

তিনি আলো বলেন ঝাড়ু  ফুলের বাগানটি দেখতে বেশ সুন্দর হয় শুধু মাত্র গরু আর আগুন ছাড়া এই বাগানের ক্ষতি অন্য পোকামাকড় করতে পারেনা। যার কারনে বিষ কিংবা ষার প্রয়োগের প্রয়োজন হয়না করতে হয়না অন্যান্য ফসল ফলানোর মত রক্ষনা বেক্ষন করতে হয়না।

অন্য এক ঝাড়ু ফুলের বাগান মালিক অরুন বিকাশ বলেন,ঝাড়ু ফুল উচু টিলায় হয়,সাধারণত সেসব পাহাড়ে অন্যান্য পাহাড়ি গাছ ছাড়া চাষাবাদ করা মুস্কিল ফলে এটি মাটি পাহাড় কোনটিই নষ্ট করতে পারেনা এবং অতি দ্রুত সময়ে ভালো একটি মুনাফা দেয়। প্রতি বছর রোপণ করার ঝামেলাও নেই,কেটে নেওয়া ঝাড়ু কিংবা উলু ফুলের গোড়া হতে সে নিজেই প্রতি বছর বেড়ে উঠে। কাজেই এ বছর ভালো মুনাফা পেলে আগামী বছর ব্যাপক ভাবে সম্পুর্ণ টিলায় এর গোড়া ছড়িয়ে দিবো বলে জানান।

এ বিষয়ে সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা  বলেন,পাহাড়ে ফুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। এতে কম খরচে সফলতার মুখ দেখছেন চাষীরা।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status