|
গলাচিপায় মিথ্যে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক আটক
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() গলাচিপায় মিথ্যে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক আটক মামলা সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদী এলাকার গৃহবধূ মাহমুদা বেগমের (৪৫) বোনের মেয়ে সাথী আক্তারকে (২৩) বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৭ লক্ষ টাকা দাবি করেন নেছার আহমেদ। প্রথমে ১৪ মে চাকরির আশ্বাস দিয়ে পরীক্ষার সার্টিফিকেটসহ এক লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে ২৯ জুন বাদীর বাসায় গিয়ে দুই লক্ষ টাকা নেন। একপর্যায়ে আরও চার লাখ টাকা দাবি করলে বাদী চাকরি পাওয়ার পর বাকি টাকা দেওয়ার কথা জানায়। কিন্তু নেছার আহম্মেদ রাজি না হলে মাহামুদা বেগম ৩ লক্ষ টাকা ফেরত চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন এবং উল্টো গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। সবশেষে গত ২০ আগস্ট দুপুরে নেছার আহম্মেদ আবারও যোগাযোগ করলে ভুক্তভোগী টাকা দিতে রাজি হন এবং তাকে টাকা নিতে গলাচিপা আসতে বলেন। নেছার আহমেদ ২০ আগস্ট গলাচিপা আসেন এবং হোটেল আল মামুনে ওঠেন। পরের দিন ২১ আগস্ট হোটেল আল মামুনে ভুক্তভোগীকে টাকা নিয়ে আসতে বলেন। এসময় ভুক্তভোগী কৌশলে সেনা বাহিনীকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে গলাচিপা থানায় সোপর্দ করেন। বাদী মাহমুদা বেগম বলেন, গত এপ্রিল মাসে পটুয়াখালী আদালত চত্বরে চায়ের দোকানে নেছারের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। তিনি চাকরির আশ্বাসে তিন লক্ষ টাকা দেন। তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে আমি টাকা ফেরত চাই। কিন্তু তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমরা সরল বিশ্বাসে টাকা দিয়েছিলাম, কিন্তু বুঝতে পারিনি তিনি প্রতারক। তবে অভিযুক্ত নেছার উদ্দিন দাবি করেন তিনি প্রতারণা করেন নাই। তিনি বলেন, মাহামুদা ৩ লক্ষ টাকা নয় তাকে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছে যাতায়াত খরচ। গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ আশাদুর রহমান বলেন, সরকারি চাকরির নামে প্রতারণার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। আটক আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
