|
উজিরপুরে সংখ্যালঘু প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার সময় লম্পটের হাতে আহত বৃদ্ধার মৃত্যু
মোঃ মাহফুজুর রহমান মাসুম, উজিরপুর
|
![]() উজিরপুরে সংখ্যালঘু প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার সময় লম্পটের হাতে আহত বৃদ্ধার মৃত্যু স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৯ আগস্ট গভীর রাতে ঐ প্রবাসীর স্ত্রীর শাশুড়ি তার মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার সূত্রে প্রতিবেশী বৃদ্ধা মধুমালকে নিয়ে রাতে ঘুমান। ওই রাতে জনতা বাজারে দোকানী মোঃ মনির কৌশলে প্রবাসী স্ত্রীর ঘরের মাচার উপর লুকিয়ে ছিল। প্রবাসীর স্ত্রী ও বৃদ্ধা মহিলা ঘুমিয়ে পড়লে লম্পট মনির প্রবাসীর স্ত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। বৃদ্ধাসহ প্রবাসীর স্ত্রী ভয়ে চিৎকার করলে প্রবাসীর স্ত্রীর গালে কামড় বসিয়ে যখন করেন এবং বৃদ্ধাকে প্রথমে লাথি মারে পরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করার চেষ্টা করে। এ সময় বৃদ্ধাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে হসপিটাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেফার করলে টাকার অভাবে বৃদ্ধার দরিদ্র পুত্র বাড়িতে নিয়ে আসে এবং বৃদ্ধা মারা যান। এ ঘটনায় বৃদ্ধার পুত্র উজিরপুর মডেল থানা অভিযোগ করলে পুলিশ অপ -মৃত্যুর মামলার রুজু করেন। দোকানী মনিরের দোকান মালিক মোহাম্মদ আরিফ মোল্লা জানান, ২০ আগস্ট গভীর রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর ডাক চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে মনির কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টার আলামত দেখতে পাই এবং পরেরদিন আমি আমার দোকান থেকে লম্পট মনিরকে বিতাড়িত করি। এতে বিএনপি নেতা মোঃ কাঞ্চন মোল্লা নেতৃত্বে মনিরের ভগ্নিপতি শাহাদাত বিশ্বাস দলবল নিয়ে আমাকে শ্বাসিয়ে দোকান খুলে দেয়। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য প্রবাসীর স্ত্রীর পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করে বলে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান। বিএনপি নেতা কাঞ্চন মোল্লাকে ফোন দিলে তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোনটি বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে মনিরের ভগ্নিপতি শাহাদাতকেও পাওয়া যায়নি। লম্পট মনির ও তার বাবা-মা বৃদ্ধার মৃত্যুর পরে গা ঢাকা দিয়েছেন। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম জান,বিষয়টি শুনেছি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট আসলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
