|
ময়মনসিংহে ঠুনকো অভিযানে কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেন সিভিল সার্জন
মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, ময়মনসিংহ
|
![]() ময়মনসিংহে ঠুনকো অভিযানে কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেন সিভিল সার্জন এদিকে সিভিল সার্জনের কাণ্ডজ্ঞানহীন উদাসীনতার কারনে নগরীর নাজমা নার্সিং হোমে অপচিকিৎসায় মৃত্যু সজ্জায় রয়েছেন মুক্তাগাছার আমেনা বেগম। মুঠোফোনে ম্যানেজার জানিয়েছেন চিকিৎসার ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। তবে সরেজমিনে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতর কথা শোনে দ্রুত ক্লিনিক ত্যাগ করেন পরিচালক ও ম্যানেজার। জানা যায়, গত (১৩ আগস্ট) নগরীর অনুমোদনহীন (প্রাঃ) হাসপাতাল ক্লিনিক-ডায়গনোস্টিক সেন্টারে বেলা ১১টা থেকে নগরীর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় শুরু হয় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। যা চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। অভিযানে অনুমোদন ছাড়াই নিয়ম বহির্ভূতভাবে চিকিৎসা দেয়ার কারণে পল্লীকল্যাণ প্রাইভেট হাসপাতালকে ২ লাখ, সাকসেস ল্যাব এন্ড প্রাইভেট লিমিটেডকে ১ লাখ, রুম্পা নার্সিং হোমকে ২ লাখ, সিরাম হাসপাতালকে ১ লাখসহ ৮টি প্রাইভেট হাসপাতালকে মোট ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় র্যাব। এছাড়া ক্লিনিক মালিক ও দালালসহ ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানের নেতৃত্বদেন র্যাব ফোর্সেস সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজিদ আহমেদ (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট)। এসময় র্যাব-১৪’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জনগণের কল্যাণ ও সুরক্ষার স্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকার কথা বললেও কার্যত আর কোন অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। বরং অদৃশ্য শক্তির বলে সিলগালা করে দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় ৭২ ঘন্টার মধ্যে পূর্বের ন্যায় চালু করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ঠুনকো অভিযান পরিচালনা করে নগরীতে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠা অনুমোদনহীন অবৈধ (প্রাঃ) হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযানের ভয় দেখিয়ে সিভিল সার্জন ও পরিবেশ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্য করেছেন। এসকল অভিযোগের বিষয়ে সিভিল সার্জনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অস্বীকার করে বলেন চাইলেইতো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না আমারতো উর্ধতন কর্তৃপক্ষ আছে। এসময় নাজমা নার্সিং হোমের অপচিকিৎসায় মৃত্যু সজ্জায় আমেনার বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানিয়েছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
