মামলায় আসামিদের মধ্যে তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন- নোয়াগাঁও চৌমুহনীর এম.এ হোসেনের ছেলে অয়ন, অনন্ত ও আবদুল কাদের। একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি একজন করোনা রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে যাওয়ায় ডাক্তাররা তাকে ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু রোগীর স্বজনরা তাকে ঢাকায় না নিয়ে বেসরকারি মনিপাল হার্ট ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অক্সিজেন দেওয়ার পর রোগীর অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ডাক্তাররা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিলে স্বজনরা ছাড়পত্র দেখান।
ওই ছাড়পত্রে লেখা রয়েছে- রোগীটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এবং তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এরপর ঘটনাটি স্বজনদের জানিয়ে রোগীকে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন ওই হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীর আকবর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা করে রোগীর স্বজনরা। ভাঙচুর করা হয় অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ অন্যান্য মালামাল। ওই ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক।
বিএমএ কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ডা. আতাউর রহমান জসিম বলেন, এ সংকটের মুহূর্তে চিকিৎসকের ওপর হামলা দুঃখজনক। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক শেখ মাহমুদুর হাসান রুবেল বলেন, আমরা বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখছি। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।